আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতাও জরুরি। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রেই বিস্ময়কর অগ্রগতি দেখিয়েছে। কিন্তু সেই অগ্রগতির সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায়নি। শহর আর গ্রামের, সচ্ছল আর দরিদ্রের ব্যবধান কমানো না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না।

নীতিনির্ধারকদের কাছে প্রস্তাবটি সহজ: সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যাঁদের জন্য সিদ্ধান্ত, তাঁদের কথা শুনুন। স্থানীয় পর্যায়ের অভিজ্ঞতা অনেক সময় বড় বড় প্রতিবেদনের চেয়েও বেশি কাজে দেয়।

তরুণ প্রজন্মই এ দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, কর্মসংস্থান আর মতপ্রকাশের নিরাপদ পরিসর নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা আস্থার। নাগরিক যদি বিশ্বাস করেন যে তাঁর কথা শোনা হবে, তাঁর করের টাকার সঠিক ব্যবহার হবে—তবেই যেকোনো উদ্যোগ সফল হয়। সেই আস্থা গড়ে তোলাই এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ।

এই লেখার মতামত লেখকের নিজস্ব।