উপকূলীয় দেশগুলোর জন্য দ্রুত অর্থছাড়ের আহ্বান। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকেরা বলছেন, চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের সমঝোতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে। তবে প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

বার্তা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খসড়া নথিতে জ্বালানি, খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু অর্থায়ন নিয়ে আলাদা অনুচ্ছেদ রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত নথি আগামী সপ্তাহে প্রকাশের কথা রয়েছে।

যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা

পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, প্রবাসী শ্রমিক, রপ্তানি বাজার ও জলবায়ু ঝুঁকির দিক থেকে বিষয়টি বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট মহল পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার না হলে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা কঠিন হবে। ছোট ও মাঝারি অর্থনীতির দেশগুলোর কণ্ঠস্বর আরও জোরালো করার আহ্বান জানান তাঁরা।

জলবায়ু ক্ষতিপূরণ তহবিল নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরেছেন। আলোচনায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।