শ্রেণিকক্ষে কৌতূহলই হোক মূল্যায়নের মাপকাঠি। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আমাদের আলোচনা প্রায়ই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে আটকে থাকে। অথচ সমস্যার শিকড় খুঁজতে হলে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি দরকার—যেখানে তথ্য, অভিজ্ঞতা ও মানুষের বাস্তব জীবন একসঙ্গে বিবেচনায় আসে।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রেই বিস্ময়কর অগ্রগতি দেখিয়েছে। কিন্তু সেই অগ্রগতির সুফল সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছায়নি। শহর আর গ্রামের, সচ্ছল আর দরিদ্রের ব্যবধান কমানো না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না।

আমরা প্রায়ই অন্য দেশের সফল উদাহরণ টানি। কিন্তু সেসব উদাহরণ হুবহু নকল না করে নিজেদের বাস্তবতায় মানিয়ে নেওয়াটাই আসল চ্যালেঞ্জ। প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী না হলে ভালো নীতিও কাগজে-কলমে থেকে যায়।

তরুণ প্রজন্মই এ দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, কর্মসংস্থান আর মতপ্রকাশের নিরাপদ পরিসর নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে।

লেখক: নাফিসা তাবাসসুম, শিক্ষা ও সমাজবিষয়ক কলাম লেখক। এই লেখার মতামত লেখকের নিজস্ব।