বৈষম্য কমাতে দরকার স্থানীয় পর্যায়ের পরিকল্পনা। শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা আস্থার। নাগরিক যদি বিশ্বাস করেন যে তাঁর কথা শোনা হবে, তাঁর করের টাকার সঠিক ব্যবহার হবে—তবেই যেকোনো উদ্যোগ সফল হয়। সেই আস্থা গড়ে তোলাই এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ।
উন্নয়নের সুফল নিয়ে আমাদের আলোচনা প্রায়ই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে আটকে থাকে। অথচ সমস্যার শিকড় খুঁজতে হলে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি দরকার—যেখানে তথ্য, অভিজ্ঞতা ও মানুষের বাস্তব জীবন একসঙ্গে বিবেচনায় আসে।
নীতিনির্ধারকদের কাছে প্রস্তাবটি সহজ: সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যাঁদের জন্য সিদ্ধান্ত, তাঁদের কথা শুনুন। স্থানীয় পর্যায়ের অভিজ্ঞতা অনেক সময় বড় বড় প্রতিবেদনের চেয়েও বেশি কাজে দেয়।
আমরা প্রায়ই অন্য দেশের সফল উদাহরণ টানি। কিন্তু সেসব উদাহরণ হুবহু নকল না করে নিজেদের বাস্তবতায় মানিয়ে নেওয়াটাই আসল চ্যালেঞ্জ। প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী না হলে ভালো নীতিও কাগজে-কলমে থেকে যায়।
লেখক: ড. ফারুক হোসেন চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ ও কলাম লেখক। এই লেখার মতামত লেখকের নিজস্ব।
মন্তব্য