প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানে দক্ষ করা হবে ৫০ হাজার শিক্ষককে। অভিভাবকদের কয়েকজন জানান, কোচিং ও প্রাইভেট টিউশনের খরচ পরিবারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। শ্রেণিকক্ষেই মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত হলে এ চাপ কমবে বলে তাঁদের মত।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশের বিভিন্ন জেলায় পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল ক্লাসরুম চালুর কাজ চলছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোকে এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া বৈশ্বিক মানে পৌঁছানো সম্ভব নয়। শিল্পখাতের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংযোগ বাড়ানোর পরামর্শও দেন তাঁরা।

শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আগ্রহ দেখা গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।