শ্রেণিকক্ষের ধারাবাহিক মূল্যায়নে থাকবে বেশি নম্বর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশের বিভিন্ন জেলায় পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল ক্লাসরুম চালুর কাজ চলছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোকে এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, সময়মতো পাঠ্যবই পাওয়া ও পরীক্ষার সূচি আগেভাগে জানা থাকলে প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়। তাঁরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরি ও ল্যাব সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানান।
যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা
নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আগ্রহ দেখা গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
শিক্ষাবিদেরা বলছেন, মুখস্থনির্ভরতা কমিয়ে সৃজনশীল ও হাতে-কলমে শিক্ষার দিকে জোর দিতে হবে। এ জন্য শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়নপদ্ধতির সংস্কার জরুরি।
অভিভাবকদের কয়েকজন জানান, কোচিং ও প্রাইভেট টিউশনের খরচ পরিবারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। শ্রেণিকক্ষেই মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত হলে এ চাপ কমবে বলে তাঁদের মত।
মন্তব্য