দেশের ৮০টি প্রেক্ষাগৃহে চলছে ছবিটি। সংস্কৃতি অঙ্গনের সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশীয় সংগীত ও নাটকের ঐতিহ্য তরুণদের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরতে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বাড়ানো দরকার।

নতুন চলচ্চিত্রটি নিয়ে দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছিল বেশ আগে থেকেই। প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন নির্মাতা ও শিল্পীরা।

যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা

সমালোচকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশীয় বিনোদন অঙ্গনে গল্পনির্ভর কাজের সংখ্যা বাড়ছে, যা ইতিবাচক পরিবর্তন। নতুন প্রজন্মের নির্মাতারা ভিন্নধর্মী বিষয় নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হচ্ছেন।

শিল্পীরা বলছেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিস্তারে দর্শকের কাছে পৌঁছানো আগের চেয়ে সহজ হয়েছে। তবে মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির জন্য পর্যাপ্ত বাজেট ও পরিকল্পনা জরুরি।

আয়োজকেরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানের টিকিট অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল প্রবেশের জন্য আলাদা স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করবে।